নিজের মাঠ চট্টগ্রামে ফাগুনের প্রথম দিনে আগুন ঝড়া সময় কাটালেন তামিম ইকবাল। অধিনায়ক হিসেবে টসে জিতেছেন, খেলেছেন ৭১ রানের আসর সেরা ইনিংস। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিপিএলে ১০০ ছক্কার মাইলফলক ছুঁয়েছেন। আর শেষমেশ ম্যাচটি জিতে নিয়েছেন ২৭ রানের ব্যবধানে। হয়েছেন ম্যাচসেরাও। এ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নেট রানরেটের ব্যবধানে চট্টগ্রামকে পিছনে ফেলে তিনে উঠে এসেছে বরিশাল।
এদিন চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ফরচুন বরিশালের দেওয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত ঢাকার ইনিংস থেমেছে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানে। অস্ট্রেলিয়ান সুইপোলজিস্ট অ্যালেক্স রস একমাত্র ঢাকার হয়ে ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়েন। খেলেন ৪৯ বলে ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস। রস চার মারেন ৫টি, ছক্কা হাঁকান ৭টি। ইনিংসের শেষ ওভারে নেন সৌম্যর বলে নেন ২৩ রান।
বরিশালের বোলারদের মধ্যে আগুন ঝড়ান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৪ ওভারের কোটায় ৩১ রানে নেন ৩ উইকেট। ৩ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার খালেদ আহমেদ, তিনি দেন ২৬ রান। কেশব মহারাজ ও ওবেড ম্যাককয় ১টি করে উইকেট পান।
এর আগে তামিম ইকবালের আসর সেরা ইনিংস আর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ফিনিশিংয়ে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানে পুঁজি সংগ্রহ করে বরিশাল। নিজের শহরে দুরন্ত ঢাকার বিপক্ষে খেলেন ৪৫ বলে ৭১ রানের ঝড়ো ইনিংস। ৭ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় খেলা ইনিংসটিতে তামিমের স্ট্রাইক রেট ১৫৭.৭৭। তিনি ফিফটি ছোঁন ৩৪ বলে।
আহমেদ শেহজাদ ২২ বলে ২৪, সৌম্য সরকার ২৩ বলে ২৮ ও মাহমুদউল্লাহ আউট হন ১০ বলে ১৩ রান করে। উদ্বোধনী উইকেটে তামিম ও শেহজাদ নবম ওভারে গড়েছিলেন ৭৬ রানের জুটি। পরের ব্যাটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে না খেলায় স্কোরটা ২০০ ছড়ায়নি তাদের।
শরিফুলের করা শেষ ওভারে ঝড় তোলেন সাইফউদ্দিন। প্রথম বলে ১ রান নেন শোয়েব মালিক। শেষ ৫ বলে সাইফউদ্দিন একাই করেছিলেন ২২। তাতে চার ও ছক্কা ছিল সমান দুটি করে।
ওভারটি থেকে আসে ২৩ রান, শরিফুলের ক্যারিয়ারে এটাই সবচেয়ে খরুচে ওভার। মালিক অপরাজিত ছিলেন ৯ বলে ১০ রানে। আলাউদ্দিন বাবু ৪ ওভারে ৩০ রানে নেন ৩ উইকেট। তাসকিন আহমেদ ৩০ রানে নেন ২ উইকেট।