ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, পুলিশ ও সাংবাদিক নিজেদের কার্যক্রমে একে অপরের পরিপূরক। পুলিশ ও সাংবাদিক যদি ঐক্যবদ্ধভাবে একসাথে কাজ করে তাহলে রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে, দেশ ও সমাজ সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে, অন্যায়-অনাচার দূর হবে ও সাম্য প্রতিষ্ঠা হবে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে সৃজনশীল লেখক, সাংবাদিক কবি মিজান মালিকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘মায়াতন্ত্র’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন কমিশনার।
এ সময় তিনি বলেন, মিজান মালিক শুধু একজন সাংবাদিকই নন, একজন বহুমাত্রিক ও বহুগুণে গুণান্বিত মানুষ। তিনি সৃজনশীল লেখক, কবি ও গীতিকার। আমি তার নতুন গ্রন্থের বহুল প্রচার কামনা করছি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বের কাছে একটি বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেছেন। বাংলাদেশ ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে এবং সারা বিশ্ব এক সময় বাংলাদেশকে অনুসরণ করবে।
হাবিবুর রহমান আরো বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরসহ একাধিক সংস্থা রয়েছে। ডিএমপির পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। কোনো কুচক্রি মহল যেন সিন্ডিকেট করতে না পারে সেজন্য অন্যান্য সংস্থার সাথে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একসাথে কাজ করবে। এ ছাড়া রমজানে দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণে রাখতে রমজান শুরুর আগেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা শুরু করবে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে বইটির ২০ কপি সংগ্রহ করেন ডিএমপি কমিশনার। অমর একুশে বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনীর ৪৬৩, ৪৬৪ এবং ৪৬৫ নম্বর স্টলে বইটি পাওয়া যাবে।
ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক ও যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আনজীর লিটন। অনুষ্ঠানে ক্র্যাবের সভাপতি কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।