জাবিতে উৎসবের দিনেও ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন

একই দিনে ভালোবাসা দিবস, ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন পহেলা ফাল্গুন ও সরস্বতী পূজা। বছরে এ রকম দিন খুব কমই আসে। বাঙালির কাছে বসন্ত মানে হাসি-গানের উৎসব আর রঙের মেলা। কারণ শীতের রিক্ততা পেরিয়ে বসন্ত নিয়ে হাজির হয় রঙিন আলো। রঙিন ফুল আর ফুলের ঘ্রাণে মুখরিত হয় চারপাশ। তাই তো ঋতুরাজকে বরণে থাকে বহু আয়োজন। আর বসন্তবরণের সঙ্গে যদি যুক্ত হয় ধর্মীয় উৎসব তাহলে বাঙালির উচ্ছ্বাসের কি আর সীমা থাকে? তবে এ উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) থেমে থাকেনি ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে জড়িতদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মাদকমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাঁচ দফা দাবিতে ক্যাম্পাসের পরিবহন চত্বরে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে ধর্ষণকা-ের পর গঠিত আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম। পরে তারা সেখান থেকে প্রজ্বলিত মোমবাতি হাতে পদযাত্রা করে শহীদ মিনারে মোমবাতি অর্পণ করেন।

নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্ষক ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, ছাত্রত্ব শেষ হওয়াদের আবাসিক হল থেকে বের করে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আসন নিশ্চিত ও র‌্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং ‘নিপীড়ক’ শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিশ্চিত করাসহ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা।