৩০ রকমের পিঠায় কুমিল্লায় দিনব্যাপী উৎসব

পিঠার নাম শুনলেই জিভে পানি আসে না এমন বাঙালি পাওয়া যাবে না। বিশেষ করে শীতে পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। অন্যদিকে বাসন্তী শাড়ি, খোপায় গাঁদা ফুল আর কপালে লাল টিপ। বাঙালি নারী-পুরুষ পূর্ণরূপে সেজেছে। বসন্তের বাতাসে পরিবার পরিকল্পনা অফিস এলাকায় বইছে পিঠা-পুলির ঘ্রণ।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে দিনব্যাপী বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সামনে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেবুব মোরশেদ লিটু। অনুষ্ঠানে নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক এবং বাউল গান উৎসবের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। উৎসবে উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোর কর্মকর্তাদের নিয়ে ১০টি স্টল বসে।

স্টলগুলোতে রয়েছে- ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি ও নারকেল জিলাপিসহ ৩০ প্রজাতির পিঠা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালক মেহেবুব মোরশেদ লিটু, এডিএফপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মোস্তফা কামাল, এডিসিসি কুমিল্লা মনজুর মোরশেদ, এডিএফপি আবু কাওছার, নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, পৌর মেয়র আব্দুল মালেক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল হক, ওসি দেবাশীষ চৌধুরী, কৃষি অফিসার নজরুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া ও আ. লীগ নেতা আবুল খায়ের আবু প্রমুখ।