পটুয়াখালীর দুমকিতে চোরাই ছাগলসহ স্থানীয়দের হাতে আটক দুই তরুণকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার মাদ্রাসা ব্রিজ এলাকায় স্থানীয়রা ধাওয়া করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় জহির (১৮) ও সজীব গাজীকে (২৫) আটক করে পুলিশে খবর দেন। স্থানীয়দের দাবি, পরে পুলিশ তাদের আটক করলেও অবৈধ সুবিধা নিয়ে দুই চোরকে ছেড়ে দেয়। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা।
ওই দুই তরুণের বাড়ি সদর থানার তেলিখালী এলাকায়। জহিরের বাবার নাম জামাল হোসেন ও সজীবের বাবার নাম নুরু গাজী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভাইরাল হওয়া ভিডিও সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার মাদ্রাসা ব্রিজ এলাকায় শ্রীরামপুর ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন মৃধা, আঙ্গারিয়া ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান সর্দার ও আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আবু জাফর হাওলাদারসহ দুই শতাধিক লোকজনের উপস্থিতিতে একটি চোরাই ছাগলসহ জহির ও সজীব নামের দুই যুবককে আটক করা হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে কনস্টেবলদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন দুমকি থানার এসআই রাজিব। এ সময় আটক জহির ও সজীবকে এসআই রাজিবের হাতে তুলে দেওয়া হলেও রাতেই অনৈতিক সুবিধা নিয়ে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।
এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ইউপি সদস্য মিজান সর্দার, নাসির উদ্দিন মৃধাসহ স্থানীয়রা বলেন, ‘অনৈতিক লেনদেন করে এভাবে আসামি ছেড়ে দিলে অপরাধপ্রবণতা বাড়বে।’
এ বিষয়ে জানতে দুমকি থানার এসআই রাজিবের মোবাইল ফোনে কল করলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কল কেটে দেন। পরে আর কল রিসিভ করেননি।
দুমকি থানার ওসি তারেক মো. আবদুল হান্নান বলেন, ‘এমন ঘটনা আমার জানা নেই। এসআই রাজিবকে জিজ্ঞেস করেন।’
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে ঘটনার প্রকৃত সত্য জানতে গতকাল শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (দুমকি-বাউফল সার্কেল) সাদ্দাম হোসেন।