কিলিয়ান এমবাপ্পে মৌসুম শেষে পিএসজি ছাড়বেন। এমবাপ্পে নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন, পিএসজি ক্লাব প্রেসিডেন্টকে। এমনকি সতীর্থদেরও ক্লাব ছাড়ার বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন। গণমাধ্যমে এমনই খবর। তবে অফিসিয়ালি কোন পক্ষই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। এরই মধ্যে শনিবার রাতে নতের বিপক্ষে শুরুর একাদশে ছিলেন না এমবাপ্পে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে গোল করেছেন। লিগ ওয়ানের ম্যাচে পিএসজি ২-০ গোলে হারিয়েছে নঁতেকে।
প্রতিপক্ষের মাঠে এদিন প্রথমার্ধে ভালো খেলতে পারেনি পিএসজি। বিরতির আগমুহূর্তে নঁতের গোল বাতিল না হলে পিছিয়েও যেতে পারতো তারা। বিরতির পরও পিএসজিকে সেরা ছন্দে দেখা যাচ্ছিল না। অবশ্য ধুঁকতে থাকা পিএসজিকে স্বস্তি এনে দেন লুকাস হার্নান্দেজ। ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলের দুই মিনিট পরেই মাঠে নামেন এমবাপ্পে।
এমবাপ্পে মাঠে নামার পর গতি আসে পিএসজির খেলায়। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে পেনাল্টিও আদায় করে নেন এই ফরোয়ার্ড। বক্সের ভেতর বলের দখল নিতে গিয়ে তাকে ফেলে দেন ডগলাস আগুস্তো। স্পট কিক থেকে এমবাপ্পে গোল করেন। শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রেখে জয় পায় পিএসজি।
এ জয়ে ২২ ম্যাচে ১৬ জয়, ৫ ড্র এবং ১ হারে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষস্থান আরও সংহত করল পিএসজি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিসের চেয়ে ১৪ পয়েন্টে এগিয়ে গেল তারা।
এমবাপ্পেকে এই ম্যাচে বেঞ্চে বসানো নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও দলবদলে বিশেষজ্ঞ ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো জানিয়েছেন, তাকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত মূলত কোচের ছিল, ক্লাব কর্তৃপক্ষের নয়।
ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ এনরিকে বলেন, ‘এটা কঠিন ছিল। যখন একটি দল জায়গা কম দেয় এবং শারীরিকভাবে উজ্জীবিত থাকে, তখন জায়গা পাওয়া কঠিন। প্রথমার্ধে আমরা খুব একটা উজ্জীবিত ও গতিময় ছিলাম না, যা আমাদের ভুগিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভাগ্যের কিছুটা সহায়তা নিয়ে আমরা গোল আদায় করি। আমাদের জন্য টানা তিনটি জয় পাওয়া এবং তালিকার শীর্ষে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’