ইউরোপে মানব পাচারে বিমানবন্দরের কর্তারা : ডিবিপ্রধান

বিমানবন্দরে বিশেষ প্রবেশের অনুমতি ব্যবহার করে কখনো ট্যুরিস্ট, কখনো ভুয়া ভিসায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ সেনজেনভুক্ত দেশগুলোয় লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। ১৬-১৮ লাখ টাকায় বিদেশে পাঠানোর ফাঁদপাতা এ চক্রের সঙ্গে জড়িত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারাও। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

হারুন অর রশীদ বলেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে জাল ভিসা ব্যবহার করে বিদেশে পাঠানোর পাঁয়তারা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগকে খবর দেয়। পরে যৌভাবে অভিযান চালিয়ে চক্রের দুই হোতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ কবির হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। দুই হোতার বক্তব্যে উঠে এসেছে, বাংলাদেশ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারও কারও এ চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন বিদেশ যেতে ইচ্ছুক যাত্রী জানে আলম, সাব্বির মিয়া ও সম্রাট সওদাগর।

তিনি বলেন, এখন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে দালালচক্র। তারা বাংলাদেশ বিমানের সিকিউরিটি ম্যান, কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং সহকারী, কিছু জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ও ট্রাভেল এজেন্সিসহ দক্ষ কম্পিউটার অপারেটর মিলে শক্তিশালী একটি চক্র, যারা ট্যুরিস্ট ভিসার কথা বলে সেনজেনভুক্ত দেশে কোনোরকম পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।