৩ মাস ২৩ দিন পর বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন।
আজ রবিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রিজন সেল থেকে তিনি জামিনে মুক্ত হন বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শামসুউদ্দিন দিদার।
এ সময় কেন্দ্রীয় ও পটুয়াখালী থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
সরকার পতনের একদফা আন্দোলন চলাকালে গত ৫ নভেম্বর গাজীপুরের টঙ্গী থেকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ-তে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে কারাকর্তৃপক্ষ।
গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশের দিন প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনায় রমনা থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে জামিন আদেশ দেন। তার আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম বলেন, গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পৃথক চারটি মামলায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আর পুরোনো নাশকতার একটি মামলায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাজা হয়। পরে সব মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জামিন আবেদন আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।