আজ সকালে ইন্টার মায়ামি বনাম লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি ম্যাচের যোগ করা সময়ের খেলা চলছে। রক্ষণের প্রায় ৫০ গজ দূর থেকে প্রতিপক্ষের ভুলে বল আসে মেসির পায়ে। আলবাকে বল পাস দেন মেসি। আলবা ওয়ান টাচে ফিরিয়ে দেন বল। আবার মেসি থ্রু পাঠান সামনে আলবাকে উদ্দেশ্য করে। এবার বাম প্রান্তে ছোট বক্সের একটু বাইরে থেকে আলবা পাস দেন গোলবারের মাঝামাঝি বরাবর। মেসির বাঁ পায়ের নিখুঁত ছোঁয়ায় সেই বলের ঠিকানা হয় গ্যালাক্সির জালে।
অসাধারণ এই গোলে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির বিপক্ষে হারতে বসা ম্যাচের যোগ করা সময়ে আলবা-মেসির যুগলবন্দিতে মান বেঁচেছে ইন্টার মায়ামির। ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা ম্যাচের ৯২তম মিনিটে আলবার বানিয়ে দেওয়া বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচ ড্র করেন মেসি। মাঠে ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের সতীর্থ মেসি-আলবার অনবদ্য ফুটবল রসায়নের চিত্র।
জর্দি আলবা; লিওনেল মেসির পুরনো সতীর্থ। দুজন একসঙ্গে বার্সেলোনার জার্সিতে জমিয়ে খেলেছেন। সময়ের ব্যবধানে এখন আবার তারা সতীর্থ, মেজর লিগ সকারের ক্লাব ই্ন্টার মায়ামিতে। আলবা খেলেন রক্ষণে. মেসি আক্রমণে। তবে উইঙ্গার হওয়ায় দলীয় আক্রমণে উপরে উঠে যান আলবা। কখনো নিজেই গোল করেন আর অধিকাংশ সময় যোগান দেন গোল করার মতো বলের। আলবা ইন্টার মায়ামির হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামার ৬ মিনিটের মাথায় প্রথম অ্যাসিস্ট করেছিলেন। গত বছরের আগস্টে লিগস কাপে এফসি ডালাসের বিপক্ষে ওই অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেছিলেন লিও মেসি। যেটি ছিল হুবুহু ২০১৭ সালের এল ক্লাসিকো ম্যাচে দুজনের যুগলবন্দির প্রতিরূপ।
রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে আলবার বানিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল করেছিলেন মেসি। লিগস কাপে সেই গোলের মতো করেই আলবার যোগান দেওয়া বল থেকে গোল করেছিলেন মেসি। সে সময় এক্স (আগের টুইটার) ছেয়ে গেছিল একটি কমেন্টে- ‘আমরা এটি আগে দেখেছি।’
দেখাটাই স্বাভাবিক। মেসি-আলবার বার্সেলোনা অধ্যায়ে মেসিকে ২৩ বার গোলের যোগান দিয়েছেন আলবা। দুজনের ৩৫৮ ম্যাচের যুগলবন্দিতে মোট গোলের সংখ্যা ৩৭টি। ইন্টার মায়ামি অধ্যায়ে আরও তিনবার মেসিকে বলের যোগান দিলেন আলবা।
আলবার করা ১১ গোলের যোগান দিয়েছেন মেসি। আর ক্যারিয়ারে মোট ২৬ বার মেসিকে দিয়ে গোল করিয়েছেন আলবা। যার সবশেষটি এলো আজ সকালে।