মাত্র ২৮ বছরেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন মিস ইন্ডিয়া ত্রিপুরা ২০১৭ রিঙ্কি চাকমা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন। ২০২২ সালে প্রথমবার ধরা পড়ে যে তার ক্যানসার হয়েছে। সেই থেকেই তিনি এই রোগের সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অবশেষে কর্কট রোগের মারণ থাবায় হার মানতে হল জীবনকে।
২০২২ সালে প্রথমবারের জন্য ম্যালিগন্যান্ট ফাইলোডেস টিউমার বা ব্রেস্ট ক্যানসার ধরা পড়ে রিঙ্কি চকমার। এরপর সার্জারি হয় তার। কিন্তু তাতেও থামানো যায়নি বিপদ। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে তার ফুসফুসে। পরবর্তীতে মস্তিষ্কেও থাবা বসায় এই রোগ। ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে রিঙ্কি চাকমার। শেষ দিকে তার স্বাস্থ্যের দারুণ অবনতি হয়। এমনকি ফেমিনার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ দিকে কেমো পর্যন্ত নিতে পারতেন না তিনি। অবশেষে এদিন তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
রিঙ্কি চাকমার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হলে তাকে সকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় গত ২২ ফেব্রুয়ারি। আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন তিনি। ছিলেন ভেন্টিলেশনে। তার একটি ফুসফুস কাজ করা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল।
সূত্রে জানা গেছে, ক্যানসার চিকিৎসার এই বিপুল খরচ বইতে পরেছিলেন না প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া ত্রিপুরা। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সকলের থেকে আর্থিক সাহায্য প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে জানান একটা সময় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের রোগ নিয়ে কথা না বললেও এখন বাধ্য হচ্ছেন।
তিনি সেই পোস্টে লেখেন, আমি এবং আমার পরিবার অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। গত দুই বছর ধরে আমার চিকিৎসার জন্য আমাদের সমস্ত সঞ্চয় খরচ হয়ে গেছে। তাই এখন কেউ ডোনেশন দিলে আমরা সেটা গ্রহণ করছি।
প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে মিস ইন্ডিয়া ত্রিপুরা খেতাব জেতেন তিনি। সেই বছর মানুষী চিল্লার মিস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন। এবং পরবর্তীতে তিনি মিস ওয়ার্ল্ড খেতাবও জয় করেন।