ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম'র বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী দেলোয়ার হোসাইন সাকী ও নগর উত্তর সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক দল সভা-সমাবেশ করবে। এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার ক্ষুণ্ণ করার সুযোগ হাইকোর্টের নেই। দেশের সমস্ত কোর্ট নাগরিকদের ন্যায্য অধিকারের সুরক্ষা দেবে এটাই তাদের কাজ। সেখানে কিভাবে হাইকোর্ট জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ-মিছিল নিষিদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
আজ শুক্রবার বিকেল ঐতিহাসিক চরমোনাই’র ফালগুনের বার্ষিক মাহফিলে বাইতুল কারীম জামে মসজিদে দাওয়াতী পক্ষ পালনোত্তর দওয়াতী সভায় সভাপতি বক্তব্যে তারা এসব কথা বলেন।
সহসভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাইমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব হাসমত আলী, ইন্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মুফতি নিজামউদ্দিন, ডাক্তার মুজিবুর রহমান, মুফতি আরমান হুসাইন, আমিনুল হক তালুকদার, মোস্তফা আল মামুন, মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান প্রমুখ।
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ইতিপূর্বেও বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। কিন্তু দেশবাসী তা ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এবারও আবার ভিন্ন মতের রাজনৈতিক শক্তিকে হত্যা ও কণ্ঠরোধ করতে বায়তুল মোকাররম এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, বেইলি রোডের অগ্নীকাণ্ডের সুস্থ্য তদন্ত করে দায়ীদের গ্রেপ্তারপূর্বক নিন্মমানের গ্যাস সিলিন্ডারটি কোন কম্পানির ছিল তাও খতিয়ে দেখতে হবে। নিন্মমানের ও নকল সিলিন্ডারের কারণে প্রায়ই অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটে সর্বস্ব পুড়ে যায়। নাম মাত্র তদন্ত কমিটির নামে আইওয়াশ করা হয়। বেইলি রোডের ক্ষেত্রে যেন তা না হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ও আহতদের সম্পূর্ণ সরকারি খরচে চিকিৎসা দিতে হবে। নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে পরিবারের প্রতি গভীর সমাবেদনা জ্ঞাপন করেন তারা।