চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজে আগুন

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় নির্মাণাধীন একটি কোল্ড স্টোরেজের আগুন নেভাতে ৬ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আসে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে। বদ্ধ ঘর হওয়ায় এবং কাঠের তৈরি ডেকের কারণে আগুন নেভাতে সময় বেশি লেগেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য। ফায়ার সার্ভিসের হিসেবে ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পদ। কোল্ড স্টোরেজটি এস আলম গ্রুপের।

নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোডের পিডিবি অফিসের কাছে নির্মাণাধীন কোল্ড স্টোরেজের চারতলা ভবনে আগুন লাগে বেলা ১১টায়। আগুন নেভাতে বেশি সময় লাগার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চারতলা ভবনটির কোনো জানালা নেই। তাই ভেতরে থাকা আগুনের ধোঁয়া বের হতে পারছিল না। আর ধোঁয়া বের হতে না পারলে ফায়ার ফাইটারদের জন্য তা ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। সেজন্য আগুন নেভাতে দেরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই কোল্ড স্টোরেজটির ডেকগুলো কাঠের তৈরি। কাঠের হওয়ার কারণে সবগুলো কাঠ পুড়ছিল আর ধোঁয়া বের হচ্ছিল। এ ছাড়া দেয়ালগুলো ককশিটের তৈরি। ককশিটের ওপরে পেইন্ট করায় এগুলো যে ককশিট তা বোঝা যাচ্ছিল না। ফলে আগুন সহজে নেভানো যাচ্ছিল না।’

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১০০ জন ফায়ার ফাইটার কাজ করেছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকি ছিল। অন্য স্থাপনা হলে কয়েক ঘণ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যেত।

ঢাকার বেইলি রোডের অগ্নিকান্ডের কারণে চট্টগ্রামেও আগুন নিয়ে সতর্ক অবস্থানে ছিল ফায়ার সার্ভিস। চট্টগ্রামের রেয়াজউদ্দিন বাজার, তামামকুমুন্ডি লেন, খাতুনগঞ্জ, চাক্তাইসহ বিভিন্ন এলাকা অগ্নিকান্ডের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।