একটা ইনিংসেই আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন জাকের আলি অনিক। ঘরের মাঠ সিলেটে কাল ম্যাচ শেষে প্রশ্ন করেছেন তার বড় বোন শাকিলা ববিও। যিনি জাতীয় একটি দৈনিকের সিলেট প্রতিনিধি। তিনি আবার হবিগঞ্জ জেলা নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কও ছিলেন। প্রয়াত বাবা ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাথলেট। পাঁচ-ভাই বোনের সবাই ছিলেন খেলাধুলা জগতের মানুষ।
জাকেরের স্ত্রী নাফিসা তাবাসসুম জাতীয় পর্যায়ের শুটার। বাংলাদেশের শুটিংয়ে একদিক দিয়ে তিনিই প্রথম। আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের (আইএসএসএফ) সরাসরি আয়োজিত কোনো প্রতিযোগিতায় দেশের হয়ে প্রথম পদক জিতেছেন বিকেএসপির এই শুটার। কাল দিনাজপুরে নিজের বাড়িতে বসে স্বামীর খেলা দেখেছেন নাফিসা।
জাকেরকে লাল-সবুজে দেখার অনুভূতি জাতীয় একটি দৈনিককে জানিয়েছেন নাফিসা, ‘অবশ্যই বিষয়টা অনেক ভালো লাগছে। আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল তাকে নিয়ে। সে একদিন জাতীয় দলে খেলবে। তার ম্যাচ অনেক ভালো হয়েছে। সে অনেক ভালো খেলেছে। যদিও তারা হেরে যায়। তারপরও অনেক ভালো খেলেছে। আমরা এতে অনেক খুশি।’
এই দিনটার জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে, সে কথাও লুকালেন না নাফিসা, ‘আমরা সবাই এই দিনটারই অপেক্ষায় ছিলাম, কবে সে জাতীয় দলে খেলবে। কবে সে ভালো পারফরম্যান্স করবে। ওটাই কাল পূরণ হলো।’
দুজনই যেহেতু খেলার জগতের মানুষ, একজন আরেকজনকে অনুপ্রাণিত করার কাজটাও নিজেরা ভাগাভাগি করে নেন। জাতীয় দৈনিককে নাফিসাই বলছিলেন, ‘যেহেতু স্পোর্টস পারসন দুজনই, আমরা একজন আরেকজনকে মোটিভেট করি। খারাপ সময়ে দুজন দুজনের…খেলার জগতে তো খারাপ সময় আসবেই। সেটা দুজন মিলে কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করি।’
বিকেএসপিতেই জাকের আর নাফিসার পরিচয়। প্রণয়ের শুরুও বিকেএসপি থেকে। পরে ২০২০ সালে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয়।