নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলামের পুনঃনিয়োগ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। গত ৩ মার্চ (রবিবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলামকে তার পূর্ব নিয়োগের ধারাবাহিকতায় চার বছরের জন্য নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে তিন শর্তে পুনরায় নিয়োগ প্রদান করা হলো।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, ভাইস-চ্যান্সেলর পদে অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলামের নিয়োগের মেয়াদ হবে ২০২৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।  তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত বেতনভাতা প্রাপ্য হবেন এবং পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাদি ভোগ করবেন। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন।

এনএসইউ’র ভিসি পদে পুনঃনিয়োগ প্রদানের জন্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি,  প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি আশা করি এই দায়িত্ব আমি সঠিকভাবে পালন করতে পারব। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়া এবং এশিয়ার একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।

আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এনএসইউ যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রকাশিত সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৩ এ ৬০১-৮০০ এর মধ্যে উঠে এসেছে। এ ছাড়া কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়েও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এনএসইউ বাংলাদেশের শীর্ষে রয়েছে।

অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে বি.কম অনার্স এবং এম.কম উভয়ই ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি সিপিএ অস্ট্রেলিয়ার একজন ফেলো এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের সদস্য।

তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে তার চাকরি জীবন শুরু করেন। তিনি বহু একাডেমিক জার্নালে নিবন্ধের লেখক এবং সহলেখক। তিনি পিএইচডিসহ অনেক স্নাতকোত্তর থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি আমেরিকান অ্যাকাউন্টিং অ্যাসোসিয়েশন, ব্রিটিশ অ্যাকাউন্টিং অ্যাসোসিয়েশন এবং অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিনান্স অ্যাসোসিয়েশন সহ আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে অসংখ্য প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন।