এই প্রথম কোনো টেস্ট সিরিজে ১০০টি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড হলো। ৪-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জিতে নেওয়ার সিরিজটিতে ১০০তম ছক্কাটি হাঁকান ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্ট খেলতে নামা জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০০তম টেস্ট খেলতে নামা রবিচন্দ্রন অশ্বিন করেন বলটি।
১০০ বছরের আরও একটি রেকর্ড হয়েছে এ ম্যাচে ১১৩ বছর পর পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট জেতার পর পরের চার টেস্ট হারলো কোনো দেশ। ইতিহাসে এটি চতুর্থ ঘটনা। সবশেষ ১৯১১-১২ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া হেরেছিল এভাবে ইংল্যান্ডের কাছেই। তার আগে ১৯০১-০২ ও ১৮৯৭-৯৮ মৌসুমে অজিদের কাছে ইংলিশরা এভাবে সিরিজ হেরেছিল।
তবে নিজেদের চেয়ে সেরা দলের কাছেই হেরেছেন বলে মনে করেন ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস। হায়দরাবাদে প্রথম টেস্ট ২৮ রানে জিতেছিল তারা। এর পরই শুরু হয় হারের বৃত্ত। দ্বিতীয় ম্যাচে ১০৬ রানে, তৃতীয়টি ৪৩৪ রানে, চতুর্থটি ৫ উইকেটে ও শনিবার শেষ হওয়া পঞ্চম টেস্টে ইনিংস ও ৬৪ রানে হারে তারা।
ম্যাচ শেষে স্টোকস বলেন, ‘আমরা সিরিজের সেরা দলের কাছে হেরেছি। সামনের ম্যাচগুলোতে যাওয়ার জন্য অনেক ইতিবাচক দিক ছিল। কিছু ছোট মুহূর্ত ছিল, যেগুলো আমরা হেরেছি, এমনটা হয়েই থাকে। আমরা সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছি, জানি এই পর্যায়ে কীভাবে খেলতে হয়।’
যোগ করেন, ‘আমাদের গ্রীষ্মে অনেক ম্যাচ আছে, তারপর পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজ আছে। এই সিরিজ থেকে আমরা যে ইতিবাচক দিকগুলো পেয়েছি, সেটা নিয়ে আমি সত্যিই উন্মুখ হয়ে আছি। এই দলটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অংশ হতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত।’
ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার বেন ডাকেট ও জ্যাক ক্রলি সিরিজে ভালো করেছেন। জো রুট ব্যাট হাতে প্রথম দুই টেস্টে নিষ্প্রভ থাকলেও শেষ দুটিতে উজ্জ্বল ছিলেন। এই সিরিজেই অভিষিক্ত ২০ বছর বয়সী অফ স্পিনার শোয়েব বশির তিন টেস্টে দুইবার নিয়েছেন ইনিংসে পাঁচ উইকেট। টেস্ট ইতিহাসের প্রথম পেসার হিসেবে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন ৪১ বছর বয়সী জেমস অ্যান্ডারসন। তাদের প্রশংসায় ভাসান স্টোকস।
এই সিরিজেই ভারতীয় টেস্ট দলে অভিষেক হয় সব মিলিয়ে পাঁচজনের। রজত পাতিদার ছাড়া বাকি চার জন- ধ্রুভ জুরেল, সরফরাজ খান, আকাশ দীপ, দেবদূত পাড়িক্কাল নৈপুণ্যেও নজর কাড়েন সবার।