রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদের কক্ষ থেকে মৌসুমী (৪৫) নামে এক নারীর গলাকাটা ও ইব্রাহিম (৩৩) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, মৌসুমী নামে ওই নারীকে জবাই করে হত্যার পর ইব্রাহিম নিজে আত্মহত্যা করেছে। নিহত মৌসুমীর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। আর ইব্রাহিমের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর।
তুরাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু সাইদ মিয়া দেশ রূপান্তরকে জানান, মৌসুমীর সঙ্গে ইব্রাহিমের অনেক আগে থেকেই পরিচয় ছিল। মৌসুমী তার স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে থাকতেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ইব্রাহিম কামারপাড়ার ওই পাঁচতলা ভবনের ছাদে একটি কক্ষ ভাড়া নেন। নিহতদের একে-অন্যের সঙ্গে ধর্মের ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল বলে নিহত মৌসুমীর স্বামী জানান। আগে থেকে পরিচয় থাকার কারণে দুজন দুজনের বাসায় যাতায়াত করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইব্রাহিম ছুরি দিয়ে মৌসুমীকে জবাইয়ের পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
পুলিশের অন্য এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানান, তাদের মধ্যে অন্য কোনো সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের ফাটলের জের ধরে ইব্রাহিমের হাতে মৌসুমী খুন হতে পারেন। লাশের পাশ থেকে রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তাদের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে আসল ঘটনা জানা যাবে।