মেট্রোরেলে ইফতার! বগি নোংরা এবং ...

পবিত্র রমজান মাসে মেট্রোরেলে ইফতারের সময় শুধু ২৫০ মিলি লিটার পানির বোতল বহনের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ইফতারের সময় দেখা যাচ্ছে অনেকেই ইফতারি নিয়ে মেট্রোতে উঠছেন এবং ইফতারের পর মেট্রোতে অতিরিক্ত ইফতারি ফেলে নোংরা করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেট্রোরেলের একটি কমিউনিটি গ্রুপে কলিম উদ্দিন মুহাম্মদ শরিফ নামের এক মেট্রো যাত্রী দুঃখ প্রকাশ করে লিখেছেন, সম্মানিত রোজাদার ব্যক্তিরা লুকিয়ে ব্যাগে করে ইফতারি সামগ্রী নিয়েই মেট্রোরেল যাতায়াত করছেন। ইফতারের সময় ইফতার সেড়ে মেট্রোরেলের কোচ যথেষ্ট নোংরা করে চলে যাচ্ছেন! তার মানে মেট্রোরেলের সম্মানিত কর্তৃপক্ষের ২৫০ এম এল পানির বোতলের অনুমতি দেওয়া ভুল ছিলো? আমরা কি কখনোই সুস্থ একটা সমাজে বসবাস করতে পারি না? পারি না আমাদের বিবেক জাগ্রত করতে?'

সেখানে মুহাম্মদ মেহেদি হাসান কমেন্ট করেছেন, 'সিসিটিভি দেখে তাদের ডিটেক্ট করা হোক এবং ফাইন করা হোক।' 
মো. নাসিম বেপারি লিখেছেন, 'ইফতারের আগে এবং পরে পনেরো মিনিট করে অফ রাখা হোক।' 

সেলিম আল সাজু লিখেছেন, 'ইফতারের আগে এবং পরে টোটাল ত্রিশ মিনিট ট্রেন বন্ধ থাক।'

আহম তৌফিকুল লিখেছেন, 'এসব লোকদের রোজা কবুল হবে কি না আল্লাহই ভালো জানেন।'

রায়হান খান লিখেছেন, 'আসলে মেট্রোর যোগ্য না সবাই।'

ফজল মাহমুদ হাসান লিখেছেন, 'বোতল এবং সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হোক। কোনো কিছুই দরকার নাই।'

ইমতিয়াজ আহমেদ বিপ্লব লিখেছেন, 'খুবই দুঃখজনক।'

জে এ জয় লিখেছেন, 'আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক।'

শাহপরনা হিমেল লিখেছেন, 'আমরা এতো বিবেকহীন কেন। জঘন্য।'

হাবিব গজিনি লিখেছেন, 'বেশ কিছু দিন যাবৎ অনলাইন অফলাইন সকল ক্ষেত্রে এগুলো করে কিছু মদদপুষ্ট বিশেষ মহল ষড়যন্ত্র ও দাঙ্গা সৃষ্টি করতে চাইছে। এমনও হতে পারে যিনি ইন্ধনদাতা কিংবা পোস্ট দাতা তিনি নিজেই এটা ঘটিয়ে অনলাইনে পোস্ট দিয়ে বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে। কারণ ১ টা মানুষের সামনে এই রকম অপরাধ ঘটানো খুবই কঠিন ও সময়ের ব্যাপার।'

মোহাইমিনুল ইসলাম লিখেছেন, 'তারা এখন কোথায়? যারা শুধু পানি নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল?'

নূর হোসাইন শাওন লিখেছেন, 'মেট্রোরেলে একদম শুরু থেলে শেষ অবদি যেতেই সময় লাগে ৩০ মিনিট। তো ইফতার ধিরে সুস্থে সেরে মেট্রোতে উঠলো বাঙালি জাতির কোন আবেগে লাগে আল্লাহ জানে। অথবা নেমে ইফতার করলেও যে বরকত কতটুক কমে যায় তাও জানা নেই। মানে এদের ঝুলে ঝুলেই ইফতার সারতে হবে।'

সম্প্রতি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এক বিশেষ নোটে জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই প্ল্যাটফর্ম, কনকোর্স ও মেট্রো ট্রেনের অভ্যন্তরে কোনো খাবার গ্রহণ করা যাবে না। তবে পবিত্র রমজানের ইফতারে পানি পান করার জন্য প্রত্যেক যাত্রী মেট্রো ট্রেন ও স্টেশনের পেইড এড়িয়াতে শুধুমাত্র ২৫০ মিলি লিটার পানির বোতল বহন করতে পারবেন। পানি যেন পড়ে না যায় সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যবহৃত পানির বোতল অবশ্যই প্ল্যাটফর্ম বা কনকোর্স এবং এন্ট্রি বা এক্সিট গেটে রক্ষিত ডাস্টবিনে ফেলতে হবে অথবা সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।