বিবৃতিতে বিএনপি

সীমান্তে গুলির প্রতিবাদ করে না আজ্ঞাবহ সরকার

বিএনপির পক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সীমান্তে পাখির মতো মানুষকে গুলি করে হত্যা নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর, এমনকি ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও কোনো প্রতিবাদ করে না শেখ হাসিনার আজ্ঞাবহ সরকার। বাংলাদেশের জনগণ ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে ফেলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার জন্য একান্ত অনুগত হয়ে গোলামি করে যাচ্ছেন।

গতকাল সোমবার দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ‘রবিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে সাদ্দাম হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। এ সময় আরও একজনকে গুলি করে আহত করা হয়। গত কিছুদিন আগেও যশোরে সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিপাহি মোহাম্মদ রইশুদ্দীন নিহত হয়েছেন। প্রায় প্রতিদিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। সীমান্তে অব্যাহত এ নির্মম হত্যাকা- নিয়ে আওয়ামী ডামি সরকার এই অবধি প্রতিবাদ তো দূরের কথা, টুঁ শব্দ পর্যন্ত করার সাহস দেখাতে পারেনি। পৃথিবীর সবচেয়ে রক্তাক্ত সীমান্ত এখন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হলেও শুধু নতজানু নীতির কারণে একতরফা হত্যাকা-ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিকার করতে পারছে না গণবিরোধী আওয়ামী সরকার। এর আগে ডামি সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী নানা সময়ে সীমান্তে বিএসএফ কর্র্তৃক বাংলাদেশি হত্যার বিষয়ে যে মন্তব্যগুলো করেছেন, তার মধ্যেই সরকারের দূরভিসন্ধি টের পাওয়া যায়।’