ডিজিটাল সেন্টারের সুবিধা-সেবা নিয়ে পটগানের পরিবেশনা উপভোগ করেছেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) শুভেচ্ছাদূত ও সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। গতকাল মঙ্গলবার খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ পটগানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন করে সেবাগ্রহীতারা কীভাবে সেবা পান, সে বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন।
রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া গতকাল সকাল ৮টার দিকে কয়রার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গিলাবাড়ী পান্ডুগাজী ইউনাইটেড একাডেমির মাঠে হেলিকপ্টার থেকে নামেন। সেখান থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে সড়কপথে সুন্দরবন তীরবর্তী নয়ানী গ্রামে যান তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ওই গ্রামের যজ্ঞমন্দির এলাকায় ইউএনডিপি, ইউএনসিডিএফ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইডেন সরকারের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন পরিচালিত লজিক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম পরিদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় মানুষদের লবণমুক্ত সুপেয় পানি সংগ্রহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং উপকারভোগীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।
এরপর সুইডেনের রাজকন্যা একই ইউনিয়নের শিকারিপাড়া এলাকায় লজিক প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহনশীল জীবিকায়নের অংশ হিসেবে ভেড়া পালন, মৎস্য চাষ এবং জলবায়ু ও জীবিকা উন্নয়ন সমবায় সমিতির মধু বিপণন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে কয়রা উপজেলা সদরে ডাক অধিদপ্তরের স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট অব পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
এ সময় সুইডেনের রাজকন্যার সঙ্গে ছিলেন দেশটির মিনিস্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন অ্যান্ড ফরেন ট্রেড জন ফরসেল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।