পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় মৎস্য সংরক্ষণ মৌসুমে কর্মহীন জেলেদের পুনর্বাসনের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নে এক মাসের বরাদ্দের ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে জেলেদের পাঁচ থেকে ছয় কেজি করে চাল কম দেওয়া হচ্ছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বস্তা খুলে ওজন মাপা যন্ত্র ছাড়াই বালতি দিয়ে মেপে জেলেদের চাল দেওয়া হয়। ৮৯০ জন জেলে জনপ্রতি মার্চ মাসে ৪০ কেজি চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে প্রতি জেলে পরিবারের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় কেজি করে কম বিতরণ করেছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জেলেরা ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সাংবাদিকদের অবহিত করেন। পরে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়।
উলুবাড়িয়া গ্রামের মান্নান বিশ্বাসের ছেলে আলম বিশ্বাসের চাল ওজন করে দেখা যায় তিনি ৩৪ কেজি চাল পেয়েছেন। আলম বিশ্বাস জানান, তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়ার ভয়ে কোনো জেলে প্রতিবাদ করছে না।
চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন আকন বলেন, ‘আমরা জনপ্রতি জেলেকে ৪০ কেজির পরিবর্তে ৩৮ কেজি চাল বিতরণ করছি। বস্তায় চালের ঘাটতি, শ্রমিকদের মজুরির জন্য কিছু চাল কম দিতে হচ্ছে।’
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কার্ডধারী জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান কম দিয়েছে সেটা আমার জানা নেই।’