ছুটির দিনেও ঘোরে না চাকা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি আজ মঙ্গলবা। সাধারণত ছুটির দিনে ঢাকা শহরে যানজট কম থাকে। স্বস্তিতে চলাফেরা করে মানুষ। তবে আজ দেখা গেল ভিন্নচিত্র। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দুপুর থেকেই তীব্র জট। কোথাও কোথাও ধীর গতিতে ঘুরছে গাড়ির চাকা। কোথাও দাঁড়িয়ে। এতে ছুটির দিনে জরুরি কাজে বের হয়ে ভোগান্তিতে সর্বসাধারণ।

এদিকে তীব্র যানজটের কারণে সিএনপি এবং বাইক শেয়ারিংয়ে বাড়তি ভাড়া চাচ্ছেন চালকরা। তাদের দাবি, এক ট্রিপেই তাদের দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে। এতে ট্রিপের সংখ্যা কমে গেছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরের পর সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যাটজট। সিগনালগুলোতে দাঁড়িয়ে আছে দীর্ঘ গাড়ির সারি। এক সিগনালে তিনবারও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে গাড়িগুলোকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আসন্ন ঈদুল ফিতরের জন্য মার্কেট খোলা রাখা হয়েছে। ফলে   নিউমার্কেটে সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় ছিল। এই ভিড় ফুটপাত পর্যন্ত পৌঁছে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভায় অংশ নিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের ভিআইপিরা। তাদের নিরাপত্তায় সড়কে আটকে রাখা হচ্ছে গণপরিবহন। এ ছাড়া ভুটানের রাজা বাংলাদেশ ভ্রমণে আছেন। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে তিনি।

পুরান ঢাকা থেকে বাংলা মোটর এসেছেন সিহাব উদ্দিন। তিনি বলেন, বাসা থেকে বের হয়ে দেখলাম গাড়িতে উঠে লাভ নেই। চাকাও ঘুরছে না। তাই হেঁটে এসেছি। ভিআইপিদের কারণে সড়ক আটকে রাখা হয়েছে।

সিএনজিচালক শামসুল আলম বলেন, এমন অবস্থা থাকলে সারাদিনে তিন থেকে চারটা ট্রিপ পাই। এদিকে বিকেল ৮টা থেকে বিএনজি স্টেশন বন্ধ করে দেয়। সময় সতো গ্যাস নিতে না পারলে বসে থাকতে হয়। তবে মালিক তো এসব বোঝে না। তাই ভাড়া একটু বেশি চাই।