পান্ডিয়াদের তুলোধুনো করে হায়দরাবাদের ২৭৭

ভিনি, ভিডি, ভিসি- রোমান সেনাপতি জুলিয়াস সিজারের এই উক্তিটি মনে করিয়ে দিলেন ট্রাভিস হেড। আইপিএলে এসেই তিনি শুরু করলেন মুম্বা্ই বোলারদের তুলোধুনো করা। সেই তালে তাল মেলালেন অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। আর হেইনরিখ ক্লাসেনতো আরেক কাঠি সরেস। তাদের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে আইপিএল তো বটেই ফ্রাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের কীর্তি গড়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে হায়দরাবাদের রান ৩ উইকেটে ২৭৭। যা ফ্রাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের কীর্তি ছিল মেলবোর্ন স্টারসের ২ উইকেটে ২৭৩। ২০২২ আসরে হোবার্ট হারিকেনের বিপক্ষে ম্যাক্সওয়েল ঝড়ে এ রান করেছিল দলটি। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ২ উইকেটে ২৬৭। ২০১৯ আসরে জ্যামাইকা তালাওয়াসের বিপক্ষে এ রান করে তারা। আর আইপিএলে এর আগে সর্বোচ্চ দলীয় রান ছিল ৫ উইকেটে ২৬৩। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে যা করেছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। 

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের কীর্তি নেপালের দখলে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ৩১৪ রান করেছিল নেপাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭৮ রান করার কীর্তি আছে আফগানিস্তান ও চেক রিপাবলিকের।

৪৫ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও ২৪ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন ট্রাভিস হেড। ১৮ বলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দ্রুততম ফিফটি করেও টিকিয়ে রাখতে পারেননি। তিনে নামা অভিষেক শর্মা ১৬ বলে ফিফটি করে হেডের মুকুট নিজের মাথায় চাপিয়ে নেন। ২৩ বলে ২৭৩ স্ট্রাইক রেটে ৬৩ রান করেন অভিষেক।

২৮ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম। আর ৪ চার ও ৭ ছয়ে ৩৪ বলে অপরাজিত ৮০ রান করেন হেইনরিখ ক্লাসেন।

আইপিএল অভিষেকের দিন ১৭ বছরের কেওয়েনা মাফাকা ৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৬ রান হজম করেন।