৩০ শতাংশ অপরিপক্ব আলু তোলায় ঘাটতি হবে এবার

গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি দাম দিয়ে এবার আলু কিনতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কোল্ড স্টোরেজের মালিকরা। ফলে সামনে আলুর দাম বেড়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। এ ছাড়া ৩০ শতাংশ অপরিপক্ব আলু তোলায় এর কারণে এ বছর ঘাটতি হতে পারে। বালাইয়ের কারণে এবার ২০ শতাংশ আলু কম উৎপাদন হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএসএ) যৌথভাবে আসন্ন কোল্ড চেইন বাংলাদেশ ২০২৪ প্রদর্শনী উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, এ বছর কৃষক আলুর ভালো দাম পাচ্ছেন। গত বছর প্রান্তিক পর্যায়ে আলুর দাম ছিল ৮ থেকে ১২ টাকা। এবার কৃষকরা ২৫-৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছেন। বেশি দামে কিনে যেহেতু স্টোরেজ করা হয়েছে, তাই এবার আলুর দাম বেশি হবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, উৎপাদন কম হওয়ায় এ বছর ৫০ টাকার বেশি দাম দিয়ে ভোক্তাদের আলু কিনে খেতে হবে।

আলুর ঘাটতি হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিএসএর সভাপতি বলেন, এবার মৌসুমের শুরুতে বাজারে আলুর দাম অনেক বেশি ছিল। কৃষক বেশি লাভের আশায় পুরোপুরি পরিপক্ব হওয়ার আগেই আগাম আলু জমি থেকে তুলেছে। এতে প্রায় ৩০ শতাংশ আলু আগেই ওঠানো হয়ে গেছে; এটাই ঘাটতি হবে। ফলে এবারও আলু আমদানি করতে হবে। ইতিমধ্যে পটেটো চিপস কোম্পানিগুলোর চাহিদার কারণে এক হাজার টন আলু আমদানি করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে ৪ শতাধিক কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। যেগুলোতে আলু সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে উদ্যোক্তারা চান পেঁয়াজ, টমেটো, গাজর, মাংস, খেজুরসহ বিভিন্ন পণ্য সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ তৈরিতে নতুন বিনিয়োগ হোক। এজন্য সরকারের কাছে কম সুদে মূলধন চেয়েছেন তারা।