রান তাড়া করতে নেমে প্রথম সাত ওভারে ৭০ রান করেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ভাল খেলছিলেন রোহিত শর্মা ও ইশান কিশান। সেই ইনিংসকে ধাক্কা দেন মাথিশা পাথিরানা। প্রথম বলেই ইশানকে আউট করেন তিনি। তৃতীয় বলে ফেরেন সূর্য। তার শট বাউন্ডারিতে ঝাঁপিয়ে ধরেন মোস্তাফিজুর রহমান। শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখেন তিনি। আগের ম্যাচে ১৯ বলে ৫২ রান করে মুম্বাইকে জিতিয়েছিলেন সূর্য।
কিন্তু কাল আর পারেননি তিনি। শূন্য রানেই ফেরেন সূর্য। মোস্তাফিজের ক্যাচ বড় ধাক্কা দেয় মুম্বাইকে। শেষ পর্যন্ত সেটাই গড়ে দেয় পার্থক্য।
ফিল্ডিংয়ের ঐ ক্যাচটাই ম্যাচে মোস্তাফিজকে মনে রাখার মতো একটা মুহূর্ত দিয়েছে। আলো ছড়িয়েছেন ঐ এক পলকই। কিন্তু বল হাতে তিনি ছিলেন মলিন। একটি উইকেট পেয়েছেন ঠিকই। তবে ৪ ওভার বল ঘুরিয়ে দিয়েছেন ৫৫ রান। চারটি করে চার ও ছক্কা হজম করতে হয়েছে তাকে। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে টিম ডেভিডকে শিকার করেন তিনি। তার বলে লং অফে তুলে দিলে ক্যাচ নেন রবীন্দ্র জাদেজা।
চলতি মৌসুমটা এখন পর্যন্ত বেশ দারুণই কেটেছে মোস্তাফিজের। চার ম্যাচে পেয়েছেন নয় উইকেট। যার বেশিরভাগই এসেছে চিপকের বোলিং স্বর্গে। তবে ওয়াংখেড়ে বরাবরই ব্যাটসম্যানদের স্বর্গরাজ্য। সেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল তার জন্য। সেখানে মাথিশা পাথিরানা আলো ছড়ালেও পারেননি ফিজ। পাওয়ারপ্লেতে তাকে বেধড়ক পিটিয়েছেন রোহিত-ইশানরা।
পাথিরানাকে যদিও পাওয়ার প্লের শেষে বোলিংয়ে এনেছিলেন অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াদ। এসেই ঝটপট তুলে নিয়েছেন উইকেট।