রাজধানীর ভাসানটেক কালভার্ট রোডে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ স্ত্রী ও শাশুড়ির পর এবার জামাতা লিটনের (৪৮) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৬৭ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এ ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে লিটনের তিন সন্তান। তাদের অবস্থাও গুরুতর। গত শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে ভাসানটেক নতুনবাজার কালভার্ট রোডের ৪/১৩ নম্বর বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারটির ছয়জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে লিটনের স্ত্রী সূর্য বানু ও শাশুড়ি মেহেরুন্নেছা হাসপাতালে মারা গেছেন। তিন সন্তান লিজার (১৮) শরীরের ৩০, লামিয়ার (৭) শরীরের ৫৫, সুজনের (৮) শরীরের ৪৩ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, ভাসানটেকের ঘটনায় দগ্ধ লিটন গতকাল সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। এর আগে তার স্ত্রী সূর্য বানু ও শাশুড়ি মেহেরুন্নেছা চিকিৎসাধীন মারা গেছেন।
প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া ময়না বেগম জানান, লিটনের বাড়ি ময়মনসিংহ। পরিবার নিয়ে কালভার্ট রোডের দোতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন। এলাকাতেই ফার্নিচার ব্যবসা রয়েছে তার। রাতে ওই বাসায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে লিটন মশার কয়েল জ্বালানোর জন্য দেশলাই জ্বালাতেই আগুনের ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, বাসাটিতে গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে রান্না করতেন তারা। সবাই ধারণা করছেন, সিলিন্ডার থেকে লিকেজের কারণে বাসায় গ্যাস জমে ছিল। মশার কয়েলের জন্য দেশলাই জ্বালাতেই সেই গ্যাস থেকেই এ বিস্ফোরণ ঘটেছে।