খেলোয়াড়দের কার কী অনুশীলন চাই খুঁজতেই এ মূল্যায়ন: ইফতি

১৯ বছর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আজ ভোরে হঠাৎ করেই জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ভিড়ে। উপলক্ষ্য শারীরিক সক্ষমতা মূল্যায়ন। উপস্থিত  জাতীয় দলের নতুন স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ নাথান কেলি। ছিলেন ক্রিকেট অপারেশনস এর শাহরিয়ার নাফিস। ছিলেন জাতীয় দলের ট্রেইনার ইফতেখার ইসলাম ইফতি।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে জাতীয় দলের প্রায় ৩৫  ক্রিকেটার ঘাম ঝরান এই বিশেষ ফিটনেস ট্রেনিংয়ে। অনুশীলন শেষে ট্রেইনার ইফতি জানান, ‘এই পরীক্ষার মাধ্যমে বুঝলাম খেলোয়াড়দের অবস্থাটা কী। এটার মধ্যে পাশ-ফেলের কিছু নেই। ডিপিএল গিয়েছে, বিপিএল গিয়েছে। এরপরে ওদের ফিটনেসের অবস্থা কী সেটা জানার জন্য। এটা জানার পর খেলোয়াড়দের কাকে কী অনুশীলন করাতে হবে এটা খুঁজে বের করব। ওদের জানিয়ে দেব, ওভাবেই আমরা প্রয়োগ করবো।’

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম বেঁছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন. ‘অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক বেছে নেওয়ার কারণ আসলে- টাইমিংয়ের একটা বিষয় আছে। আমরা যদি আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণ করি তাহলে বেশ কিছু টেস্টিং মেথড আছে, আমরা আজ ১৬শ মিটার টাইম ট্রায়াল নিলাম। অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে যদি নেই আমরা তাহলে প্রপার টাইমিংটা...কারণ ওইভাবেই ক্যালকুলেট করা হয়। এটা ওদের কাছে নতুন মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো।'

জাতীয় দলের ট্রেইনার ইফতেখার ইসলাম ইফতি

মূল্যায়ন অনুশীলনের কার্যকারিতা ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমরা ১৬শ মিটার নিয়েছি তাদের কার্ডিও ভাস্কুলার সিষ্টেম কীভাবে কাজ করে, ওদের ক্যাপাসিটি কেমন বুঝতে। স্পিন্ট টেস্ট নিলাম বুঝতে তারা কত দ্রুত এটা দেখতে। ৪০ মিটার স্প্রিন্ট যেটা ছিলো প্রথম ২০ মিটারে কে কতটুকু গতিময়। সাধারণত এক-দুই মিটারের জন্য একটা রান আউট হয় বা এক-দুই সেন্টিমিটারের জন্য আমরা একটা চার বাঁচাতে পারি না। স্প্রিন্টিং দেখলাম কীভাবে আরও গতিময় করা যায়। আর ১৬শ মিটারে দেখলাম মাঠে থাকার ক্যাপাসিটিটা কতটুকু।'

বাংলাদেশ দলের ট্রেইনার জানান খেলোয়াড়দের অবস্থা সম্পর্কেও, ‘এভারেজ পারফরম্যানস গুড। তবে আমাদের উন্নতির জায়গা আছে। আমরা ট্রেনাররা গুড বলতে পারি না, বলি না আসলে কারণ আমাদের চাহিদার শেষ নাই। এখানে ৩৫ জনের মতন উপস্থিত ছিলো। তবে যেটা হচ্ছে ফিটনেস ভালো।’