চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস উদ্ধার

নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার চকপুর গ্রামের মো. আতাউর রহমানের বাড়ির গ্যারেজ থেকে কালো রঙের মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে আতাউর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একই গ্রামের মৃত রবিউল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার বিকেলে সিংড়ার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আতাউর রহমান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আতাউরের দেওয়া তথ্যমতে অপহরণকাজে ব্যবহৃত কালো রঙের হায়েস মাইক্রোবাসটি তার বসতবাড়ির গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করা হয়। মাইক্রোবাসের ভেতর থেকে দুটি চায়না চাপাতি, একটি চায়না টিপ চাকু, একটি বার্মিজ কাটার, দুটি দেশীয় রামদা, দুটি স্টিলের পাইপ, দুটি স্ট্যাম্প লাঠি, একটি  চাপাতি,  ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ গাড়ির কাগজপত্র এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফুল হাবীব রুবেলের অসংখ্য লিফলেট, স্টিকার লিফলেট, ক্যালেন্ডার সংবলিত পোস্টার ছবি জব্দ করা হয়। অপহরণের কাজে ব্যবহৃত কালো রঙের গাড়িটি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেলের।

এতে আরও বলা হয়, গত ১৫ এপ্রিল নাটোর জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনের মনোনয়নপত্র জমাদানে বাধা দেওয়া, মারপিট ও অপহরণের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টা পর তাকে বাড়ির সামনে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে যায় তারা। ওই প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সুমন আহমেদ নামে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবাবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, লুৎফুল হাবিব রুবেলের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনকে অপহরণ ও মারধর করেন তারা। তাদের সঙ্গে কে কে ছিলেন, সেটিও জানিয়েছেন তিনি।