দামি স্টার্কই আইপিএলের খরুচে বোলার

মিচেল স্টার্ককে ২৪.৭৫ কোটি রুপি দিয়ে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে ৩২ কোটি। তবে সেই আস্থার প্রতিদানটা দিতে পারছেন না বাঁহাতি পেসার। এখন পর্যন্ত তিনিই যে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

স্টার্ক সময়ের সেরা পেসারদের একজন। তাতে হয়তো কোনো সন্দেহ নেই। সে কারণেই তো কলকাতার খেলা ৭টি ম্যাচেই হাত ঘোরাতে দেখা গেছে তাকে। ৭ ম্যাচে করেছেন ২৫ ওভার। ৬ উইকেট নিতে তিনি দিয়েছেন ২৮৭ রান। এবারের আসরে তার মতো এত রান খরচ করেননি আর কেউই।

রান দেয়ার হিসাবে পরের স্থানগুলোতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার, দিল্লি ক্যাপিটালসের খলিল আহমেদ, পাঞ্জাব কিংসের হার্শাল প্যাটেল ও একই দলের কাগিসো রাবাদা। ভুবনেশ্বর ৭ ম্যাচের ২৮ ওভারে ২৮৪, খলিল ৮ ম্যাচের ৩১ ওভারে ২৮০, হার্শাল ৮ ম্যাচের ২৯ ওভারে ২৭৮ ও রাবাদা ৮ ম্যাচের ৩২ ওভারে ২৭৩ রান দিয়েছেন। ভুবনেশ্বর, খলিল, হার্শাল ও রাবাদা নিয়েছেন যথাক্রমে ৪, ১০, ১৩ ও ১০ উইকেট।

স্টার্ক যে একেবারে ভালো করেননি, তা নয়। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে বলতে গেলে তিনিই কলকাতাকে জিতিয়েছিলেন। ২৮ রান দিয়ে সেদিন নিয়েছিলেন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে রবিবার সবচেয়ে বেশি রান ব্যয় করেছেন তিনি, ৩ ওভারে ১ উইকেট নিতে দেন ৫৫ রান। যেখানে ১ রানে জিতে কলকাতা।

হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৫৩ রান দিয়ে এবারের আসর শুরু করেছিলেন স্টার্ক, বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে পরের ম্যাচে দেন ৪৭ রান। এ ২টি ম্যাচেই উইকেটশূন্য থাকেন অস্ট্রেলিয়া পেসার। তৃতীয় ম্যাচে ২ উইকেট নেন ২৫ রানের বিনিময়ে। এরপর ২৯ রান দিয়ে আবারও উইকেটশূন্য, লখনৌর বিপক্ষে তো আগুনই ঝরান তিনি। হটফর্মে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে খরচ করেন ৫০ রান।

খরুচে স্টার্ক যদি পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ান, অবাক হওয়ার সুযোগ নেই মোটেও। কারণ তিনি পরীক্ষিত, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪টি শিরোপা জিতেছেন। যার সবগুলোতেই স্টার্কের পারফরম্যান্স ছিল মনে রাখার মতো।