খেলনার মোড়কে পার্সেলে কোটি টাকার মাদক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশের ডাক বিভাগের বৈদেশিক শাখায় পার্সেলে এসেছে কোটি টাকার মাদক। সেই সব পার্সেল দেখে মনে হতে পারে শিশুদের খেলনা ও চকলেট। কিন্তু পার্সেলে ছিল মাদক টেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনলযুক্ত কুশ, গাঁজার চকলেট ও কেক। এগুলোর বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা।

এসব মাদক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ছড়িয়ে দিত একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এমনই একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. রাসেল মিয়া (২০), রমজান মিয়া (২১) ও মো. ইমরান ওরফে রাজ (২০)। গত সোমবার অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়।

এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিএনসির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, পার্সেলে একটি ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। তবে ঠিকানাটা ছিল ভুল। সন্দেহ হলে মোবাইল নম্বর ধরে অভিযান চালায় ডিএনসি। পার্সেলের ভেতরে থাকা শিশুদের খেলনা ও চকলেট ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হলে জানা যায় এগুলো মাদক। ছয়টি খেলনা মোড়কের ভেতরে ছিল টেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনলযুক্ত কুশ (আমেরিকার তৈরি মাদক), যার ওজন ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। এ ছাড়া ছিল আমেরিকায় তৈরি গাঁজার ৯টি চকলেট ও ১০টি কেক।

মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী আরও বলেন, পার্সেলে থাকা মোবাইল নম্বর ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে রাসেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, পার্সেল গ্রহণ করার পর টাকা বিনিময়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল রমজানের। পরে আশুলিয়ার আমতলা এলাকা থেকে রমজানকে গ্রেপ্তার করা হয়।