সাংবাদিক ময়ূরীর মেয়েকে আসলে কী প্রশ্ন  করেছিলেন? 

খল অভিনেতা শিবা শানু ও নবনির্বাচিত শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরীর নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ব্যাপক মারধর করেছে জুনিয়র শিল্পীরা। এ ঘটনায় ৯-১০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি গণমাধ্যমের ক্যামেরাপার্সন এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক মিঠুন আল মামুন। 

কিন্তু কেন এই সাংবাদিক আক্রমণের ঘটনা? এ বিষয়ে মিঠুন আল মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, স্টার কিডদের প্রতি সবার আগ্রহ থাকে। তাই আমি ময়ূরীর মেয়ের সঙ্গে কথা বলছিলাম যে তিনি ইন্টারভিউ দেবেন কি না। তখন ময়ূরীর মেয়েকে আমাকে জিজ্ঞেস করে কী প্রশ্ন। আমি তখন বলছিলাম, আপনি আপনার মায়ের অভিনীত সিনেমা দেখেছেন কি না। এফডিসি আসা যাওয়া আছে, আপনিও সিনেমায় আসবেন কি না। এ সময় শিবা শানু এসে আমাকে ইউটিউবার মনে করে ধাক্কা দেওয়া শুরু করে। তখন আমার হাতে ক্যামেরার ট্রাইপড ছিল। আমার ক্যামেরা পারসনও আশেপাশে ছিল না। আমি শিবা শানুকে পরিচয় দেই, তিনি শোনেননি, ধাক্কাতে শুরু করেন। 

মিঠুন বলেন, অনেকেই বলছে আমি নাকি মায়ের আইটেম গানের কথা জিজ্ঞেস করেছি। কেউ কেউ ছড়িয়েছে আমি নাকি অশ্লীল সিনেমার কথা বলেছি। আমি তো ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু করিনি, তাহলে এসব প্রশ্ন করবো কেন? আগে ময়ুরীর মেয়ের কাছে জানতে চাইছিলাম তিনি ইন্টারভিউ দেবেন কি না। আপনারা চাইলে শিল্পী সমিতির সিসি টিভির ফুটেজ দেখেন, স্পষ্ট দেখা যাবে।

মিঠুন আল মামুনের সঙ্গে এই ঘটনার পর সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে এগিয়ে আসেন। প্রতিবাদ করতে থাকেন। তখন সদ্য নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করার নির্দেশ দেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ থেকে এমনটাই দেখা গেছে। 

এ বিষয়ে ময়ূরী দেশ রূপান্তরকে বলছেন, আমার মেয়েকে কয়েকজন ইউটিউবার বিরক্ত করছিল। তারা বারবার জানতে চাইছিল মায়ের অশ্লীল সিনেমা দেখেছ কি না, আমার মেয়ে এসব বোঝে না। তাকে এসব প্রশ্ন করার অর্থ হয় না।