জমির বিরোধকে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার চেষ্টা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত সাবেক এক চেয়ারম্যানের যোগসাজশে এমন কা- ঘটেছে বলে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী চশমা প্রতীকের জহুরুল আলম। তার দাবি, প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুরুল আফসার সরকারের হয়ে গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে।
জহুরুল আলম জানান, উপজেলার চিকনদ-ী ভূমি অফিসের পাশে তার কিছু জায়গা দখলে নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন মাহবুবুল আলম সওদাগর নামে এক ব্যক্তি। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবাদ করতে গেলে জহুরুল ও তার লোকজনের ওপর চড়াও হয় মাহবুবুল আলমের লোকজন। এ ছাড়া গতকাল শুক্রবার ছুরি হাতে দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত ছবিটি তার ভাগ্নে সাজ্জাদের নয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থলও চিকনদ-ী ইউনিয়ন এলাকায় নয়। ওই ঘটনাটি ঘটেছে হাটহাজারী-নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকায়।
তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ছুরি হাতে প্রকাশিত ছবিটি তার ভাগ্নে সাজ্জাদেরই।
এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ওসি মনিরুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। তবে কেউ এ ব্যাপারে অভিযোগ দেননি। জমিজমারবিষয় হোক কিংবা নির্বাচনীবিষয় হোক অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
এদিকে আসন্ন ২৮ এপ্রিলের উপনির্বাচনকে ঘিরে চিকনদ-ী ইউনিয়নে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ এপ্রিল রজনী গন্ধা প্রতীকের প্রার্থী হাজি নেজাম উদ্দিন তনির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওরান্টু চাকমার কাছে সাতজন চেয়ারম্যান প্রার্থী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে দুদিন পার হয়ে গেলেও সে বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম শওকত ওসমান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওরান্টু চাকমা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অভিযোগকারী সাতজন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা পুরো পুলিশ প্রশাসন রদবদলের দাবি করেছেন। রদবদল করার আমি কে? তবে ১৩টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য ১৩ জন প্রিসাইডিং অফিসার চূড়ান্ত করেছি। শিগগিরই জানানো হবে।