তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে মানিকগঞ্জে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ উপলক্ষে সড়কে শোভাযাত্রা বের করা এবং শোভাযাত্রায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নামানো হয়েছে। এটাকে শিশুদের সাথে বর্বরতা বলে উল্লেখ করেন অনেকে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ উপলক্ষে আজ (রবিবার) সকাল ৮টা থেকে মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ৮টায় সেখান থেকে শোভাযাত্রাটি বের করা হয় এবং পৌনে ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায়। সেখানে ১৫ মিনিট অপেক্ষার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) শুক্লা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই শোভাযাত্রাটির শুভ উদ্বাধন করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, শিবালয় সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ কোকন চন্দ্র দেব, ন্যাশনাল পলিটেকনিট ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, দেওয়ান টেকিনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক দেওয়ান তালজিল আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
শোভাযাত্রাটি একইভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজে ফিরে যায় এবং সেখানে অংশগ্রহণকারী সকলকে ৫০০ এমএল পানি ও দুই স্লাইচ কেক দেওয়া হয়।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তীব্র গরমের মধ্যে রাস্তায় নামানোর কঠোর সমালোচনা করছেন সচেতন নাগরিকেরা।
মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় মানিকগঞ্জেও শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে তিনটি সরকারি ও ৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী-শিক্ষক অংশগ্রহণ করে। রোদের কারণে শোভাযাত্রাটি সকাল সাড়ে ৮টায় বের করা হয় এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার আগেই কর্মসূচি শেষ করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে অংশগ্রহণকারী সকলকে ৫০০ মিলি পানি ও দুই স্লাইচ কেক দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) শুক্লা সরকার বলেন, ’কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করেই শোভাযাত্রাটি রোদের তীব্রতা বাড়ার আগেই শেষ করা হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো শিশু তো শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেনি। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করে। ওরা তো বড় হয়ে গেছে। এটা তো শিক্ষারই অংশ। এর থেকেও তো শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণ করবে। সারদেশেই হচ্ছে। ওদরে জন্য জব ফেয়ারও করা হচ্ছে।