ক্রিকেটের বৈশ্বিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগোচ্ছে দেশের নারী ক্রিকেটও। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে কোনো বৈশ্বিক আসরের শিরোপা জেতার আনন্দ সবার প্রথম এনে দিয়েছিলেন সালমা-জ্যোতিরাই।
এবার ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের মাঝেই অভিনব এক কাণ্ড ঘটালেন অধিনায়ক নিগার জ্যোতি, ফাহিমা খাতুন ও মারুফা আক্তার। ক্ষুদে ভক্তদের মাঠে আকৃষ্ট করতে সিলেটের তিনটি স্কুলে গিয়ে হাজির হন তারা।
খুনসুটিতে মেতে ওঠেন ক্ষুদে ভক্তদের সঙ্গে, খেলেন ক্রিকেট। উপহার দেন জাতীয় দলের অটোগ্রাফ সংবলিত জার্সি। চোখের সামনে নিজের আদর্শদের দেখে উচ্ছ্বাসে মাতেন আম্বরখানা গার্লস স্কুল, ব্লু বার্ড স্কুল ও আনন্দনিকেতনের শিক্ষার্থীরা।
এ প্রসঙ্গে জ্যোতি বলেন, ‘আমার জন্য একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। অনেক ভালো লেগেছে। যে তিনটি স্কুলে গিয়েছি, বাচ্চাদের যে উৎসাহ দেখেছি এবং আগ্রহ—তারাও খেলতে চায়। পুরো দল আসতে পারলে হয়তো সবারই আরও অনেক ভালো লাগত। ভালো একটা উদ্যোগ। যারই বুদ্ধি, আমি বলবো অসাধারণ। মেয়েদের ক্রিকেটের প্রচারণাও হলো, পাশাপাশি এই সিরিজেরও একটা হাইপ তৈরি করা গেল।’
ক্ষুদে ভক্তদের নিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘ওরা অনেক রোমাঞ্চিত ছিল। তারা খেলাটা অনুসরণ করে। আর এটা আমাদের জন্যও ভালো, কারণ বিসিবিও এটাই চায়—মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে প্রচার-প্রসার যত বাড়ানো যায়। এটা স্কুল থেকেই শুরু করতে হবে, আমিও কিন্তু স্কুল ক্রিকেট থেকেই শুরু করেছি। স্কুলের মেয়েরা যত আগ্রহী হবে, ততোই মেয়েদের ক্রিকেট সমৃদ্ধ হবে।’