কালিহাতীতে প্রধান শিক্ষকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শহীদ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়েজ উদ্দিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী আমিনুরের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী নাদিয়া আক্তার মঙ্গলবার কোকডহরা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পোষনা দক্ষিণপাড়ার মৃত এসএম ফজলুল হকের ছেলে সন্ত্রাসী আমিনুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে সম্পদসহ ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ  করেছেন।

আহত প্রধান শিক্ষক রায়েজ উদ্দিন উপজেলার পোষনা দক্ষিণপাড়ার মৃত ফজর আলীর ছেলে। সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত এসএম ফজলুল হকের ছেলে আমিনুল ইসলাম ও পোষনা উত্তরপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে সম্পদের পূর্ব শত্রুতা চলমান। ওই শত্রুতার জের ধরে বিবাদীরা প্রধান শিক্ষক রায়েজ উদ্দিনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য  গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১নং বিবাদীদের সৎ মা জেরিন চৌধুরী তার বাড়িতে যেতে বলেন। রায়েজ উদ্দিন তার ভাতিজা রাফিকে সঙ্গে নিয়ে জেরিন চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে বসত ঘরে বসে মিমাংসার আলোচনা করছিল। আলোচনা চলাকালীন সন্ত্রাসী আমিনুল, সম্পদ ও অন্যান্য আসামীরা দলবদ্ধভাবে ঘরে প্রবেশ করে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে রায়েজ উদ্দিনের ওপর হামলা করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম ও সম্পদ রায়েজ উদ্দিনকে হকিস্টিক দিয়ে ভুক্তভোগীকে মারধর শুরু করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায় নি।  

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কালিহাতী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নাজমুল করিম বলেন, শহীদ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়েজ উদ্দিনের ওপর পৈশাচিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সাথে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।

কালিহাতী থানার এসআই মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, গতকাল ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামে পলাতক আছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব শীঘ্রই তাকে আটক করা হয়েছে।