উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীরা এমপি-মন্ত্রীদের প্রভাব খাটালে প্রার্থিতা বাতিল করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। তিনি বলেছেন, ‘মন্ত্রী-এমপির নিকটাত্মীয়দের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই। তবে তাদের প্রতি অনুরোধ তারা যেন নিজের পছন্দের প্রার্থীকে জেতাতে ক্ষমতার অপব্যবহারের চেষ্টা না করেন।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পাবনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় প্রশাসনকে নিরপেক্ষ আচরণের নির্দেশনা দিয়ে ইসি কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রমাণ মেলে সরকারি কর্মকর্তাদেরও চাকরিচ্যুত করাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
রাশেদা সুলতানা আর বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি ইউনিয়নে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই।
বিভিন্ন প্রার্থীদের মোটরসাইকেল মহড়া ও সন্ত্রাসীদের দিয়ে ভীতিকর প্রচারণার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি রাশেদা বলেন, ‘এখন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় কেউ ভীতি প্রদর্শন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনবে কমিশন।’
রাজশাহী বিভাগের স্থানীয় সরকারের পরিচালক পারভেজ রায়হানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক আনিসুর রহমান, ৫৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, পাবনা জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।