বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এ জে মোহাম্মদ আলী 

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এ জে (আব্দুল জামিল) মোজাম্মদ আলীকে।

আজ শনিবার জানাজা শেষে সন্ধ্যায় তার মরদেহ বনানী করবস্থানে তার পিতা মরহুম এম এইচ খন্দকারের (বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল) কবরস্থানের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এ জে মোহাম্মদ আলী। তিনি অনেকদিন ধরে প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। এ জন্য তিনি নিয়মিত সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন। গতকাল বেলা ২টার কিছু পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

গতকাল বাদ জোহর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আইনজীবীসহ দলটির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এরপর বাদ আসর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন, সম্পাদক শাহ মঞ্জুরুল হকসহ আইনজীবীরা অংশ নেন।

সুপ্রিম কোর্টে জানাজা শেষে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বনানী করস্থানে। সেখানে এ জে মোহাম্মদ আলীর পিতা বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল মরহুম এম এইচ খন্দকারের কবরস্থানের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এ জে মোহাম্মদ আলী ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করে ২০০৭ সালের ২৪ জানুয়ারি এই পদ থেকে ইস্তফা দেন।