দক্ষিণ ভিয়েতনামে একটি দোকান থেকে ‘বান মি স্যান্ডইউচ খেয়ে ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫০০ জনের বেশি মানুষ। এদের মধ্যে ছয় এবং সাত বছরের দুই ছেলে শিশুসহ ১২ জনের অবস্থা গুরুতর।
ডং নাই প্রদেশে অবস্থিত স্যান্ডইউচের দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত গরমের কারণে স্যান্ডউইচগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
পরবর্তীতে ওই দোকানে কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক পরিদর্শনে দেখা গেছে ওই বেকারি খাদ্যের ন্যূনতম নিরাপত্তা মান পূরণ করেনি।
গতকাল সোমবার লং খান শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৩০ এপ্রিল বাং বেকারি থেকে ওই স্যান্ডউইচ খাওয়ার পর অন্ততপক্ষে ৫৬০ জন মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ২০০ জনকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রান কোয়াং ডিউ স্ট্রিটে অবস্থিত ওই দোকান থেকে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ স্যান্ডউইচ বিক্রি করা হয়। ওই দোকান থেকে যারা স্যান্ডউইচ খেয়েছে তাদের বেশিরভাগই ডায়রিয়া, বমি, জ্বর এবং ভয়াবহ পেট ব্যথায় আক্রান্ত হয়েছে।
ভিয়েতনামের স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে বলা হয়েছে যে ওই দোকান থেকে স্যান্ডউইচ খাওয়ার ফলে এক নারী তার তিন শিশুকে নিয়ে ডং নাই চিলড্রেন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল।
রোববার ডং নাই প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে যে, গুরুতর অসুস্থ ব্যাক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের রক্ত পরীক্ষায় ই.কোলি (E. Coli) ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত গরুর মাংস, পনির এবং ফলসহ তাজা পণ্যতে থাকে।
ভিয়েতনামের পুলিশ বলছে, তারা খাদ্যে বিষক্রিয়ার আরও কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছে।
বান মি স্যান্ডউইচ মূলত ভিয়েতনামের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। এই স্যান্ডউইচের ভেতরে মাংস এবং শাকসবজি দেওয়া থাকে।