রেশনিং পদ্ধতি চালুসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে সরকারি কর্মচারীরা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নবম পে-স্কেল ঘোষণা, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান, টাইমস্কেল সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, সচিবালয়ের মতো পদ-পদবি এবং এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন করা।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন সমূহের সমন্বয়ে গঠিত জোট-বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে সরকারি কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সরকার যে বেতন-ভাতা দিচ্ছে সেটা দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে পরিবার চালাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা যারা বাইরে কর্মরত আছি, সচিবালয়ের মতো আমাদের পদন্নোতির ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
বক্তারা বলেন, ‘বর্তমানে সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাড়িভাড়া, রেশনিং পদ্ধতি চালু, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা ও টিফিন প্রদানের জন্যও অনুরোধ জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি ও সমন্বয়ক খায়ের আহম্মেদ মজুমদার, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সমন্বয়ক ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ গাজীউল হক চৌধুরী, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুল হালিম প্রমুখ।