মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা সংকোচিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যারা (যুক্তরাষ্ট্র) এই দাপটটা দেখাবে তাদের দাপট দেখানোর ক্ষমতাটা মধ্যপ্রাচ্যেই সংকোচিত হয়ে গেছে। এখানে বিস্তৃত হবে এমন মনে করার কোন কারণ নেই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আমরা যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, আমরা কাকে ভয় পাবো! সহকারী পররাষ্ট্র (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু), তিনি আসছেন, তাদের কোন উদ্দেশ্য আছে আমরা জানি না কিন্তু আমরা এটা বলতে চাই যে কেউ আমাদের দেশে এসে এখানে বিএনপিকে আবারও মদদ দিবে, চাঙা করবে সে পরিস্থিতি বোধহয় এখন বিশ্ব রাজনীতিতে মোটেই নেই। যারা এই দাপটটা দেখাবে তাদের দাপট দেখানোর ক্ষমতাটা মধ্যপ্রাচ্যেই সংকোচিত হয়ে গেছে। এখানে বিস্তৃত হবে এমন মনে করার কোন কারণ নেই।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আপনারা যে অভিযোগ করতেন পশ্চিমারা আমাদের নির্বাচনে নাক গলাতে চাচ্ছে, এখন এটা কি অবস্থায় আছে এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, নির্বাচনের পরে প্রেসিডেন্ট বাইডেন যে চিঠি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন সে চিঠিতে আমেরিকার যে দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে, আমরা এখন বাস্তবে দেখবো সেটার প্রতিফলন বাস্তবে কতটা। তার উপরেই নির্ভর করবে আমাদের প্রতিক্রিয়া।
আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস শুরু করলে বিএনপি পালানোর পথ পাবে না মন্তব্য করে কাদের বলেন, ২৮ অক্টোবর ও বক্তব্য দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ পালানোর পথ পাবে না। শেষ পর্যন্ত দেখলাম দৌড়াতে দৌড়াতে কোথা থেকে যে কে পালিয়েছে সেটা হচ্ছে বিএনপি। আমাদের পালানোর রেকর্ড নেই। আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস শুরু করলে বিএনপিকেই পালাতেই হবে। আবারও যদি এমন করে তাহলে পালানোর পথ পাবে না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি) যদি রাজনৈতিক ভাবে এগুতে চায় তাহলে আমরাও রাজনৈতিক ভাবেই মোকাবেলা করবো। তারা যদি আবারও সন্ত্রাস করে তাহলে আমরাও সেভাবেই মোকাবেলা করবো। আগে থেকে এনিয়ে কিছু বলতে চাই না।
বিএনপি নির্বাচনে না এসে তারা যে বড় ভুল করেছে সেটার মূল্য তাদেরকে দিতে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আগামী দিনে আরও মাসুল গুনতে হবে এতে আমাদের কোন দায় নেই। এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ১৪ দলীয় জোট থাকবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।