পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন

কিরগিজস্তানে ভালো আছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের হতাহতের এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পাশের দেশ উজবেকিস্তানের তাসখন্দে অবস্থানরত আমাদের রাষ্ট্রদূতকে সেখানে যেতে বলা হয়েছে। তিনি স্থানীয় সময় (গতকাল) বিকেলে বিশকেকে পৌঁছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে ক্যাম্পাস ভিজিট করবেন এবং কিরগিজ পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।’

দেশে ফেরার জন্য এক শিক্ষার্থীর দেওয়া খোলা চিঠি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কোনো আবেদন করেননি।’

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সফর নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে তার সঙ্গে বৈঠক হবে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় বিষয়াবলির মধ্যে বিশেষত বাংলাদেশে অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগ, বাংলাদেশিদের অভিবাসন, মৌসুমি কর্মসংস্থান, সেখানে প্রবাসীদের কল্যাণ, জ¦ালানি ও পরিবেশ সংরক্ষণে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে।’

মন্ত্রিসভায় এপোস্টল কনভেনশন স্বাক্ষরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক এই কনভেনশনে স্বাক্ষর সম্পাদন হলে বিদেশগামী শিক্ষার্থী ও মানুষের বিভিন্ন সনদ, দলিল, হলফনামায় নিজ দেশের যথাযথ সত্যায়ন থাকলে অন্য দেশে গিয়ে আবার সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না। এর ফলে দেশের মানুষের বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।’

এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে সব দেশের দূতাবাস নেই। ৯০টি দেশের দূতাবাস রয়েছে দিল্লিতে। সেখান থেকে সত্যায়ন করে আনতে আবার ভারতের ভিসা লাগে। এসবের জন্য যে অর্থ, সময় ও পরিশ্রম ব্যয় হয়, এই কনভেনশনে যুক্ত হলে তা বেঁচে যাবে।’

এটি কার্যকর হতে প্রায় ছয় মাস লাগবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এপোস্টল কনভেনশনে যুক্ত হতে এর ১২৬টি সদস্যরাষ্ট্রকে অবহিত করতে হয়, কিছু আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে।’