সাভারের আশুলিয়ায় গোপনে একটি রেস্টুরেন্টে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। যাছাই-বাছাই শেষে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল শনিবার পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার ফুড প্লানেট রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের সময় তাদের আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার আশুলিয়ার নয়ারহাটের ঘুঘুদিয়া এলাকার আরমান হোসেন (৩৭), পলাশবাড়ি বটতলা এলাকার মানিক (৩৪), চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার কাসাড়া গ্রামের আনোয়ার (২৯), একই জেলার মতলব উত্তর থানার সিকিরচড় গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৫৩), রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার বাগমারা গ্রামের জিল্লুর রহমান (৪৫), নাটোরের বাগাতিপাড়া থানার আশিকুর রহমান (৪০), জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার ঢালুখাবাড়ি চরপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক (৫০), টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার পাকুটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪২), একই জেলার মির্জাপুর থানার ভাওয়া গ্রামের আব্দুল কাদের (৬০), সিরাজগঞ্জ সদর থানার শিলদাহ গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৩৩), চৌহালী থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের জাহিদ হাসান (৪১), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার সন্যাষীর চর এলাকার জলিল খান (৪২), লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার কান্দিরপাড় গ্রামের সোহেল রানা (২৮), একই গ্রামের তৈয়ব উল্লাহ (৪৭), বগুড়া জেলার ধুনট থানার বড়মোগাচর গ্রামের আব্দুল করিম (২৯), নীলফামারীর ডোমার থানার উত্তর আমবাড়ি গ্রামের নুরনবী (৩৮), ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার উরাগাছা গ্রামের মোজাম্মেল হক (৪০), দিনাজপুর জেলার কোতোয়ালি থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মিরাজ হোসেন (৩৪), বরিশালের মুলাদি থানার চরপদ্মা গ্রামের মো. হাসান (৩৫), বরিশাল সদরের চরকালামতি এলাকার জসিমউদ্দীন (৪০) ও মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার সাহেবনগর গ্রামের আবুল বাশার (৪৩)। তারা আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর গোপন বৈঠকের সময় বেশ কিছু নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটকদের যাচাই-বাছাই শেষে জানা যায়, তারা নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। গত ২০২৩ সালের ১ আগস্টের একটি নাশকতা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সকাল ৬টার দিকে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ইয়াসিন সুপার মার্কেটের সামনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীসহ জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা শফিকুর রহমানের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে যানচলাচলে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছিল।