তালতলীতে আশ্রয়কেন্দ্রে ২০ হাজার মানুষ

বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে প্রায় ২০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন থেকে আশ্রয়কেন্দ্রের মানুষের মাঝে খিচুড়ি ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। 

গতকাল রবিবার (২৬ মে) সন্ধা থেকেই সোনাকাটা ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মানুষ সবচেয়ে বেশি আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। সন্ধা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে মানুষের মাঝে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা এ শুকনো খাবার ও খিচুড়ি বিতরণ করেন।

উপজেলা পরিষদে আশ্রয় নেওয়া বিউটি বেগম বলেন, সন্ধ্যার আগেই খোট্টার চরের বাসিন্দারা এখানে আশ্রয় নেয়। রাতে ডিম খিচুড়ি দিয়েছে প্রশাসন।

নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ডা. কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, আমার এই ইউনিয়নের তেতুলবাড়িয়া থেকে জয়াল ভাঙ্গা পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রিং বেড়িবাঁধটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে প্রায় ১০টি গ্রাম। এ জন্য আমার এখানে প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ এসেছেন ও সঙ্গে অনেকেই গবাদি পশু নিয়ে আসেন। রাতে সবাইকে খাওয়ানোর জন্য শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে প্রশাসন থেকে। তিনি আরও বলেন চরের মাঠঘাট ৪ থেকে ৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়।

তালতলী নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং চরাঞ্চলে প্রায় ২০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদেরকে আমি নিজে গিয়ে শুকনো খাবার ও খিচুড়ি বিতরণ করেছি। আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার দেওয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।