ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ৩০ বছর পিছিয়ে দেব: ট্রাম্প

নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়নকারী ও দাতাদের সঙ্গে আলাপ করার সময় রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অঙ্গীকার করেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে চলমান ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ দমন করবেন তিনি। তিনি নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করবেন। 

নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট মঙ্গলবার (২৮ মে) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, আমি একটা জিনিস করতে চাই, যা হল, কোনো শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করলেই তাকে আমি দেশ থেকে বের করে দেব। 

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, (যুক্তরাষ্ট্রে) অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী আছে। যখনই তারা এটা শুনবে, তারা ভদ্র আচরণ শুরু করবে। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন এবং আমি মনে করি আপনাদের অবশ্যই সেটা করা উচিৎ, আমি যদি আবারও জিতে যাই, তাহলে আমি এই আন্দোলনকে ২৫ থেকে ৩০ বছর পিছিয়ে দেব।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করায় নিউ ইয়র্ক পুলিশের প্রশংসা করেন ট্রাম্প। অন্য শহরগুলোরও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে অনুসরণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েল ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন করে একটি শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার ট্রাম্পের সঙ্গে লবিং করেছে প্রধান রিপাবলিকান দাতারা। আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সামনে রেখে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধকে পুঁজি করে নোংরা রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে ট্রাম্প ও বাইডেনের বিরুদ্ধে।