৩৬ ঘণ্টায়ও বিদ্যুৎ আসেনি, এলাকা ছাড়ছেন অনেকে

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বেশ কিছু অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল প্রায় ১৮ ঘণ্টার বেশি। এতে বিপাকে পড়েছিল এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। বিদুৎ না থাকায় বাসাবাড়িতে পানির সংকটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেখা দিয়েছিল বিপর্যয়। তবে গতকাল সোমবার (২৭ মে) রাত প্রায় ১১টার দিকে বিদ্যুতের দেখা মেলে এই এলাকায়।

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ সারা দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। যার প্রভাব পড়েছিল বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায়ও। আর তাতেই রবিবার (২৬ মে) ভোর রাত থেকে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন ছিল এই এলাকার মানুষ। তবে এই উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ এখনও আসেনি। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুতের দেখা মেলেনি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের এক নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু মহল্লায়। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় পানিসহ নানা সংকটে পড়তে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের পড়তে হচ্ছে বেশি বিপাকে। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকে পরিবার নিয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন।

পৌর শহরের আদর্শপাড়া এলাকার পাপ্পু নামের এক যুবক বলেন, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুৎ আসেনি। বাসায় খাওয়ার পানি নাই। সকাল থেকে রোদ ও গরমে অতিষ্ঠ। বয়স্কদের আত্মীয় বাড়ি পাঠেয়েছি। আমাদের এলাকার অনেকেই আত্মীয় বাড়ি গিয়ে থাকছে।

হিন্দুপাড়ার বাসিন্দা শুভ বলেন, বাসায় ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে, কিন্তু খাবার পানি নাই। বাজে একটা পরিস্থিতি মধ্যে পড়তে হয়েছে। শহরে থাকার কারণে পানির কোনো বিকল্প ব্যবস্থাও করতে পারছি না।

সান্তাহার নেসকোর প্রকৌশলী ওমর ফারুকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। নেসকোর জরুরি নম্বরে ফোন দিলে সেখান থেকে একজন কর্মকর্তা বলেন, আমি কিছুক্ষণ আগে ডিউটিতে এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই।