ঢাকা ও চট্টগ্রামে গত বছর অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের মৌখিক পরীক্ষার বাধা কাটল।
এ ধাপে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থী, যাদের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। এ পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফল ঘোষণা করা যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম। গতকাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষা বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
গতবছরের ১৭ জুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২১টি জেলার লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত ফল প্রকাশে দেখা যায়, ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে।