রাত ১২টায় সময় শেষ, মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে হাজার হাজার কর্মী

আজ শুক্রবার রাত ১২টায় বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। তাই হাতে অল্প সময় থাকায় জরুরিভিত্তিতে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে কর্মী পাঠানো হয়। এতে চাপ পড়েছে কুয়ালালামপুরের দুই বিমানবন্দরে। 

মালয়েশিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাশনুনের ঘোষণা অনুযায়ী আজ শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে আর কোনো বাংলাদেশি কলিং ভিসার শ্রমিক মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে না। আর এ কারণে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী অপেক্ষা করছেন বলে সিএনএ’র খবরে বলা হয়।  

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুয়ালালামপুরের দুই বিমানবন্দরে স্বাভাবিক পরিস্থিতির চেয়ে অনেক বেশি কর্মী প্রবেশ করছে। স্বাভাবিকভাবে দৈনিক বিদেশী কর্মীদের আগমন হয় ৫০০ থেকে এক হাজারের মধ্যে। কিন্তু গত ২২ মে থেকে আগমনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত ও যানজট নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় অতিরিক্ত কাউন্টার খোলা হয়েছে ও অভিবাসন কর্মকর্তার সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালের চিত্র তুলে ধরে সিএনএ জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের কয়েকটি দল কর্মস্থলে যেতে বাসের জন্য কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের পরিবহণ কেন্দ্রে অপেক্ষা করছিল। তাদের সঙ্গে এজেন্ট ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা ছিলেন। এদিকে অতিরিক্ত কর্মীদের ভিড় সামাল দিতে শুক্রবার অভিবাসন বিভাগ আরও কাউন্টার এবং কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে।

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিমানের টিকিটের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেট চক্র মালয়েশিয়ার ৩০ হাজার টাকার ওয়ানওয়ে টিকিটের দাম এখন ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।