মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য সিমিন হোসেন (রিমি) বলেছেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক সমস্যা। ইউএনএফপিএ ও ইউনিসেফের সহায়তায় বাল্যবিয়ে নিরসনে প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে সরকার। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল ইউএনএফপিএ-ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত গ্লোবাল প্রোগ্রাম টু অ্যান্ড ম্যারিজের (জিপিইসিএম) তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাল্যবিয়ে নির্মূল করা শুধুমাত্র সরকার বা একক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। গত ৫০ বছরে ডেভেলপমেন্ট পার্টনারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বাল্যবিয়ের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে বিয়ে বন্ধ করা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটি শুধুমাত্র একটি সাময়িক সমাধান। আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে কেউ বাল্যবিয়ের চিন্তা না করে। মানুষের চিন্তা-চেতনার জায়গায় পরিবর্তন আনতে আমরা কাজ করছি। বাল্যবিয়ের যে প্রথা ও রীতিগুলো রয়েছে সেগুলো ভাঙতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাল্যবিয়ে হলো আমাদের সম্পদের অপচয়। একটি কিশোরীর বাল্যবিয়ে শিকার হওয়া মানে সে সম্পদে পরিণত না হয়ে দায়ে পরিণত হয়। বাল্যবিয়ে রোধে পিতা-মাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করুন, আপনার এই বিনিয়োগ দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসবে। বিজ্ঞপ্তি