জয়পুরহাটে জমির খাজনা পরিশোধের নামে প্রতারণা করে দুইজনের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র মালিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে জয়পুরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক নিশিত রঞ্জন বিশ্বাস তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জজ কোর্টের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দীক।
প্রভাষ চন্দ্র মালি কালাই উপজেলার পুনট গ্রামের সদায় মালীর ছেলে। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমান তিনি অবসরে রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের ২২ শতক একটি জমির মালিক ছিলেন নিল কমল ও রেখা রানী নামে দুইজন। সেই সম্পত্তি তারা বিক্রি করবেন বলে জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্রের কাছে যান। সে সময় প্রভাষ তাদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে এক সপ্তাহ পর একটি খাজনার রশিদ দেন। পরে তারা সেই জমি তোরাব উদ্দীন নামে একজনের কাছে বিক্রি করেন। এরপরে তোরাব জমিটি নিজ নামে খারিজ করার জন্য সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে মিসকেস দায়ের করলে সেটি একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই শেষে ভূয়া প্রমাণিত হয়।
এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী নিল কমল। এ মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন প্রভাষ চন্দ্র। বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে জামিন নিতে আসলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।