রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট বাজারে পাহাড়ের বিবদমান আঞ্চলিক দুই গ্রুপের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক পরিবহন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত খীসা) সঙ্গে ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই সময় দুপক্ষ পরস্পরের অবস্থান লক্ষ্য করে দুই শতাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। নিহত পরিবহন শ্রমিকের নাম মো. নাইম (৩৫)। তিনি খাগড়াছড়ি-নাজিরহাট বাস-মিনিবাস সমিতির সুপারভাইজার। তার বাড়ি খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুর্গাছড়িতে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় পরিবহন শ্রমিক নাইমসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে, গোলাগুলি থেমে যাওয়ার পর মুমূর্ষু অবস্থায় গুলিবিদ্ধ নাইমকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক জয় চৌধুরী তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডা. জয় চৌধুরী জানান, রোগীর বুকের ডান পাশে গুলি লেগেছে। তার অবস্থা গুরুতর ছিল। বাঘাইছড়ির কাছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থানার ওসি নুরুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ নাইমকে দীঘিনালা হাসপাতালে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ইউপিডিএফ প্রসিত গ্রুপের মুখপাত্র নিরন চাকমা এক বিবৃতিতে ঘটনার জন্য ‘ঠ্যাঙারে বাহিনীকে’ দায়ী করেছেন। অবিলম্বে এই বিশেষ গ্রুপের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।