সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সুজাত মিয়া (১২) নামের এক শিশু মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে মসজিদে যাওয়ার পথে হঠাৎ করে বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় শিশুটি। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে শাল্লা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুজাত উপজেলার সহদেব পাশা গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, বর্ষাকালে হাওর এলাকায় একপাড়া থেকে অন্য পাড়ায় যাতায়াতের মাধ্যম হল বাঁশের সাঁকো। আর এই সাঁকো দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হন হাওর পাড়ের লোকজন। সুজাত ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নের সহদেব পাশা গ্রামের মসজিদে যাওয়ার পথে বাঁশের সাকো থেকে পড়ে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের লাইনের উপর পড়ে যায়।
স্থানীয় জুবেল মিয়া জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের উদাসীনতার কারণেই হাওরে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। এ সব দুর্ঘটনার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগই পুরোপুরি দায়ী। কারণ হাওরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লাইনগুলো ভূমি থেকে সামান্য উচ্চতায় এলোমেলো হয়ে পড়ে রয়েছে। যা মানুষের উচ্চতা থেকেও কম। কিন্তু এ সব ব্যাপারে তাদের কোনো তদারকি নেই।
শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাল্লা থানার ওসি (তদন্ত) আহমদ উল্লা ভূঁইয়া দেশ রূপান্তরকে জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১২ বছরের এক শিশু মারা গেছে জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।